হোম নাগরিক ডা. মুরাদ হাসান কোথায়?

ডা. মুরাদ হাসান কোথায়?

প্রতিবেদক সম্পাদকীয়
0 মন্তব্য

বিতর্কিত রাজনীতিক এবং সংসদ সদস্য ডা. মুরাদ হাসানকে কানাডায় ঢুকতে দেয়নি দেশটির বর্ডার সার্ভিস এজেন্সি। টরন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে আটকে দেয়া হয় বলে জানা গেছে। সোস্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই এ নিয়ে চলছে আলোচনার ঝড়।

কানাডার স্থানীয় বাংলা অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, কানাডায় বসবাসরত তার ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে কানাডার সরকারি সূত্র থেকে এ ব্যাপারে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কানাডা বর্ডার সার্ভিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য জানা যায়নি।

এদিকে আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, করোনার সময় যথাযথ কাগজপত্র সঙ্গে না থাকায় কানাডায় প্রবেশের অনুমতি পাননি সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ। তিনি এখনো কানাডাতেই আছেন এবং দেশটিতে প্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও খবর মিলেছে।

নারীর প্রতি অশোভন মন্তব্য করে বিতর্কিত সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান আমিরাতের একটি ফ্লাইটে স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে টরন্টো পিয়ারসন্স আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।

এ সময় কানাডা ইমিগ্রেশন এবং বর্ডার সার্ভিস এজেন্সির কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যান। দীর্ঘ সময় ধরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, জিজ্ঞাসাবাদে তাকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। বিপুল সংখ্যক কানাডিয়ান নাগরিক কানাডায় তার প্রবেশের ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছেন বলেও তাকে জানানো হয়।

এর আগে প্রবাসী বাংলাদেশি কানাডিয়ানরা মুরাদ হাসানের ব্যাপারে আপত্তি জানান।

বিতর্কিত রাজনীতিক এবং সংসদ সদস্য ডা. মুরাদ হাসানকে কানাডায় ঢুকতে দেয়নি দেশটির বর্ডার সার্ভিস এজেন্সি। টরন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে আটকে দেয়া হয় বলে জানা গেছে। সোস্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই এ নিয়ে চলছে আলোচনার ঝড়।

কানাডার স্থানীয় বাংলা অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, কানাডায় বসবাসরত তার ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে কানাডার সরকারি সূত্র থেকে এ ব্যাপারে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কানাডা বর্ডার সার্ভিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য জানা যায়নি।

এদিকে আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, করোনার সময় যথাযথ কাগজপত্র সঙ্গে না থাকায় কানাডায় প্রবেশের অনুমতি পাননি সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ। তিনি এখনো কানাডাতেই আছেন এবং দেশটিতে প্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও খবর মিলেছে।

নারীর প্রতি অশোভন মন্তব্য করে বিতর্কিত সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান আমিরাতের একটি ফ্লাইটে স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে টরন্টো পিয়ারসন্স আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।

এ সময় কানাডা ইমিগ্রেশন এবং বর্ডার সার্ভিস এজেন্সির কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যান। দীর্ঘ সময় ধরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, জিজ্ঞাসাবাদে তাকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। বিপুল সংখ্যক কানাডিয়ান নাগরিক কানাডায় তার প্রবেশের ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছেন বলেও তাকে জানানো হয়।

এর আগে প্রবাসী বাংলাদেশি কানাডিয়ানরা মুরাদ হাসানের ব্যাপারে আপত্তি জানান।

তবে এর আগে কানাডা থেকে মুরাদ হাসানের ঘনিষ্ট সূত্র গলমাধ্যমকে  জানিয়েছিল যে মুরাদ হাসান কানাডায় ঢুকেছেন। তিনি টরন্টো থেকে মন্ট্রিয়লে তার আত্মীয়ের বাসায় গেছেন এবং সেখানেই অবস্থান করছেন।

তবে এর আগে কানাডা থেকে মুরাদ হাসানের ঘনিষ্ট সূত্র গলমাধ্যমকে  জানিয়েছিল যে মুরাদ হাসান কানাডায় ঢুকেছেন। তিনি টরন্টো থেকে মন্ট্রিয়লে তার আত্মীয়ের বাসায় গেছেন এবং সেখানেই অবস্থান করছেন।

সম্পর্কিত আরও খবর

আপনার মতামত দিন