হোম খেলা দুবাইয়ে রাত ৮টায় ভারত-পাকিস্তান মহারণ

দুবাইয়ে রাত ৮টায় ভারত-পাকিস্তান মহারণ

প্রতিবেদক Juboraj Faisal
0 মন্তব্য

ক্রিকেট বিশ্বের অপেক্ষা ফুরাচ্ছে। এবারের এশিয়া কাপের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচ কোনটি?। একবাক্যে সবাই বলবেন, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের কথা। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হাইভোল্টেজ ম্যাচে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান।

বিশ্ব ক্রিকেটের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের মহারণ দেখতে মুখিয়ে থাকেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। শুধু ক্রিকেট নয়, রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে সেই ২০১২ সাল থেকে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলে না দুই প্রতিবেশি দেশ ফলে সমর্থকদের তাই চাতক পাখির মতো তাকিয়ে থাকতে হয় বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের দিকে।

টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ৯ বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত-পাকিস্তান আর সেখানে ৭ বারই জিতেছে ভারত। দুইবার জয় পায় পাকিস্তান। এছাড়া আর এশিয়া কাপের মঞ্চে মোট ১৫ বার মুখোমুখি হয় ভারত-পাকিস্তান। তাতেও জয়ের পাল্লা ভারি ভারতেরই। ৮ বার জিতেছে ভারত, পাকিস্তানের জয় ৫ বার। আর ২টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়।

২০১৬ সালের এশিয়া কাপ হয়েছিলো টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। ওই আসরে ভারত ৫ উইকেটে হারিয়েছিল পাকিস্তানকে। তবে দুই দলের সর্বশেষ লড়াইয়ে ভারতকে স্রেফ উড়িয়ে দিয়েছিল পাকিস্তান। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতকে ১০ উইকেটে হারের লজ্জা দেয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীরা। যেটি আবার ছিল বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের প্রথম জয়।

তাই সাম্প্রতিক ফর্ম আর অতীত রেকর্ড দুটোই আমলে নিলে এবার কোনো দলকেই এগিয়ে রাখার উপায় নেই। বরং ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগে যেটা নিয়ে আলোচনা থাকে, বরাবরের মতো সেই ‘চাপ’ নিয়েই আলোচনাটা বেশি।

যেহেতু মর্যাদার লড়াই। চাপ থাকবে, অস্বীকার করলেন না ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তিনি বলেন, ‘সকলেই এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকে। খুব চাপের ম্যাচ এটি, তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। তবে দলের পরিবেশ হালকা রাখতে চাই।’

রোহিত যোগ করেন, ‘এই ম্যাচ নিয়ে খুব ভেবে নিজেদের চাপে ফেলতে চাই না। যারা কোনোদিন পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলেনি বা মাত্র একটি-দু’টি ম্যাচে খেলেছে, তাদের ভালো করে এই ম্যাচের গুরুত্ব বোঝাতে চাই। আমরা পাকিস্তানকে অন্য যে কোনও সাধারণ প্রতিপক্ষের মতোই দেখছি। তবে ম্যাচ জিতেই মাঠ ছাড়ার লক্ষ্য আমাদের।’

পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম বলেন, ‘অন্যান্য ম্যাচের মত হলেও, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বাড়তি চাপ এমনিতেই চলে আসে। এই চাপকে সামলেই লড়াই করতে হয় ক্রিকেটারদের। কারণ সকলেই জানে, এমন ম্যাচের গুরুত্ব কত বেশি। তাই জয়ের জন্য মুখিয়ে থাকে ক্রিকেটাররা। এবারও আমরা জয়ের জন্য মাঠে নামবো।’

ঐতিহ্যগতভাবে পাকিস্তান-ভারত লড়াইয়ের ভাগ্য গড়ে দেয় পাকিস্তানের বোলিং, ভারতের ব্যাটিং। দুবাইয়ে আজ কারা হাসবে শেষ হাসি বলা কঠিন, তবে মর্যাদার লড়াইটা জমে যাক, ক্রিকেটীয় বিনোদনে পূর্ণ হোক, এটাই সবার আশা।

যফ//

 

সম্পর্কিত আরও খবর

আপনার মতামত দিন