হোম আন্তর্জাতিক যুক্তরাজ্যে উপনির্বাচনে ধরাশায়ী ক্ষমতাসীনেরা, পার্টি চেয়ারম্যানের পদত্যাগ

যুক্তরাজ্যে উপনির্বাচনে ধরাশায়ী ক্ষমতাসীনেরা, পার্টি চেয়ারম্যানের পদত্যাগ

প্রতিবেদক সম্পাদকীয়
0 মন্তব্য

যুক্তরাজ্যে দুটি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে ধরাশায়ী হয়েছে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি। এ পরাজয়ের পর আজ শুক্রবার পার্টির চেয়ারম্যান অলিভার ডাউডেন পদত্যাগ করেছেন। তবে পদত্যাগের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। খবর রয়টার্স ও বিবিসির।

ডেভনের টিভারটন-হোনিটন আসনের উপনির্বাচনে জয় পেয়েছেন লিবারেল ডেমোক্র্যাটরা (লিব ডেম)। টরির (কনজারভেটিভ পার্টি) ২৪ হাজার ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাল্টে দিয়ে জয় ছিনিয়ে এনেছেন লিব ডেম এমপি রিচার্ড ফোর্ড। তিনি বলেন, এ ফলাফল যুক্তরাজ্যের রাজনীতিকে একটি ঝাঁকুনি দিয়েছে।

পশ্চিম ইয়র্কশায়ারের ওয়েকফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে জয় পেয়েছে বিরোধী দল লেবার পার্টি। ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে টরিদের কাছে আসনটি হারিয়েছিল দলটি। লেবার পার্টির নেতা স্যার কেয়ার স্টারমার বলেছেন, এ ফলাফলে প্রমাণিত হয়, টরিদের ওপর আস্থা হারিয়েছে দেশ।

ফল ঘোষণার পর বরিসকে পাঠানো পদত্যাগপত্রে ডাউডেন লিখেছেন, উপনির্বাচনে দুটি বিপর্যয়কর পরাজয়ের পর স্বাভাবিকভাবে তিনি আর দায়িত্ব চালিয় যেতে পারেন না। অন্য কারও এ দায়িত্ব নেওয়া উচিত।

ডাউডেন বলেন, ‘আমাদের দলের খুবই খারাপ ফলাফল করার সর্বশেষ ঘটনা গতকালের সংসদীয় উপনির্বাচন। সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহে আমাদের সমর্থকেরা বিষণ্ন ও হতাশ। আমি তাঁদের অনুভূতি বুঝতে পারছি।’

ডাউডেন আরও বলেন, ‘আমরা আর এভাবে চালিয়ে যেতে পারি না। কাউকে অবশ্যই দায়িত্ব নিতে হবে। আমারটা আমি শেষ করেছি। এ পরিস্থিতিতে আমার আর দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়া ঠিক হবে না।’

এই দুই উপনির্বাচনে হারলে তাঁর পদত্যাগের ধারণাকে আগের রাতেই নাকচ করে দিয়েছিলেন বরিস। রুয়ান্ডায় কমনওয়েলথ সম্মেলনে থাকা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতায় থাকা দলগুলো উপনির্বাচনে কমই জেতে। তবে তিনি আগ্রহ নিয়েই ফলাফল দেখবেন।

করোনাভাইরাসের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে সরকারি বাসভবনে একাধিক পার্টি আয়োজন করেন প্রধানমন্ত্রী বরিস। তাঁর ওই কর্মকাণ্ডের জন্য দল ও দলের বাইরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

সম্পর্কিত আরও খবর

আপনার মতামত দিন