বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১, ২২ আশ্বি

ঢাবির শিক্ষক তাপসী বিরুদ্ধে গবেষণা চুরির অভিযোগ

ঢাবির শিক্ষক তাপসী বিরুদ্ধে গবেষণা চুরির অভিযোগ - ছবি :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মহসিনা আক্তার খানমের (লীনা তাপসী) বিরুদ্ধে লেখায় চৌর্যবৃত্তি বা চুরি করার অভিযোগ উঠেছে।

সহযোগী অধ্যাপক লীনা তাপসীর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) সাবেক মহাপরিচালক ও নজরুল সঙ্গীতশিল্পী ইফফাত আরা নার্গিস।

নায়েম সাবেক মহাপরিচালক দাবি করেছেন, লীনা তাপসী খানের পিএইচডি-অভিসন্দর্ভ (গবেষণা বিষয়ক নিবন্ধ)-এর ওপর ভিত্তি করে রচিত ‘নজরুল সঙ্গীতে রাগের ব্যবহার’ নামক গ্রন্থের ৩৮টি স্থানে অন্যের লেখা নকল করা হয়েছে।

বিষয়টি লীনা তাপসী অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন। তিনি দাবি করছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’।

রোববার (১৩ জুন) ইফফাত আরা নার্গিস ইফফাত আরা নার্গিস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে লীনা তাপসীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরেন ইফফাত আরা।

তিনি আরও জানান, ২৭৭ পৃষ্ঠার ‘নজরুল সঙ্গীতে রাগের ব্যবহার’ গ্রন্থের ১৬৯ পৃষ্ঠাই লীনা তাপসী খানের রচনা নয়। অন্যের গ্রন্থ থেকে হুবহু নকল করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮০ পৃষ্ঠা নজরুল ইনস্টিটিউট ও নজরুল একাডেমি প্রকাশিত স্বরলিপির বই থেকে স্ক্যান করে মূলপাঠ হিসেবে ঢোকানো হয়েছে। যা সাধারণত বইয়ের পরিশিষ্টে উল্লেখের কথা থাকলেও তা করা হয়নি।

বাকি সব লেখা রবীন্দ্রনাথের ‘গীতিবিতান’ ও ‘নজরুল-গীতিকা, ইদ্রিস আলীর লেখা ‘নজরুল সঙ্গীতের সুর’, স্বরলিপিকার জগৎ ঘটক ও কাজী অনিরুদ্ধের ‘নবরাগ’, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ‘নজরুল সৃষ্ট রাগ ও বন্দিশ’ এবং কাকলী সেনের ‘ফৈয়াজী আলোকে নজরুলগীতি’ প্রভৃতি গ্রন্থ থেকে তথ্য নির্দেশ ছাড়া হুবহু চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ইফফাত আরা।

ইফফাত আরা জানান, ২০১০ সালের মে মাসে লীনা তাপসী এটি পিএইচডি থিসিস হিসেবে উপস্থাপন করেন। ২০১১ সালে নজরুল ইনস্টিটিউট এটি বই আকারে প্রকাশ করে। ওই অভিসন্দর্ভের উপর ভিত্তি করে ২০১৬ সালে লীনা তাপসী খান বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক থেকে পদোন্নতি পেয়ে সহযোগী অধ্যাপক হন।

নায়েম সাবেক মহাপরিচালক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সিন্ডিকেট সদস্যদের জানানো পরও তারা কোনো তদন্ত বা ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

নতুন সূর্যোদয় ডেস্ক

 

 

আরো সংবাদ


AD HERE