বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১, ২২ আশ্বি

৫৪৩ দিন পর প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

৫৪৩ দিন পর প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান - ছবি : Notun Surjodoy.com

মহামারি করোনাভাইরাস বদলে দিয়েছে জীবন। পরিবর্তন হয়েছে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতির চাকা। সেই সাথে বদলে গেছে প্রতিদিনের লেখাপড়ার রুটিংটা। শিক্ষার্থীদের পদচারণায় প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর থাকত যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের দাপটে ৫৪৩ দিন বন্ধ ছিলো সেই বিদ্যাপীঠ। 

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কোথাও সংক্রমণের হার একটানা দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশে স্থিতিশীল থাকলেই সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া যাবে। কিন্তু দেশে শনিবারও সংক্রমণের হার ৭ শতাংশের ওপরে ছিল।

আর সেই হিসাবে অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই ছাত্রছাত্রীদের সরাসরি পাঠদানের জন্য ক্লাসরুমে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় সোয়া ৩ কোটি শিক্ষার্থী।

তবে প্রাক-প্রাথমিক স্তরে এখন শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাবে না। এখনো বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি। 

প্রায় দেড় বছর পর ক্লাসে বসার আনন্দে মাতোয়ারা ছাত্রছাত্রীরা। স্কুলব্যাগ, ড্রেস, জুতা ইত্যাদি কিনে স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। তাদের স্বাগত জানাতে বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও প্রস্তুত।

স্কুল মানে ক্লাস, বন্ধুদের আড্ডা, টিচারের বকুনি। শহরাঞ্চলের স্কুল-কলেজ অনেকটাই নতুন রূপে সাজানো হয়েছে।

এছাড়া বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তবু অভিভাবকরা কিছুটা অস্বস্তি আর উদ্বেগে আছেন। 

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট ৯ স্তরের দায়িত্বপ্রাপ্তদের জন্য ৬৩ দফা নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রস্তুতের জন্য দেওয়া হয়েছে আলাদা ১৯ দফা নির্দেশিকা।

রুটিন তৈরির জন্য পাঠানো হয়েছে ১১ দফা করণীয়। আর স্কুল-কলেজের হোস্টেল খুলতে আলাদাভাবে দেওয়া হয়েছে ১৪ নির্দেশনা। প্রাথমিক স্তরের জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে মৌলিক রুটিন করে দেওয়া হয়েছে।

নতুন সূর্যোদয় ডেস্ক

আরো সংবাদ


AD HERE